• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

বোমার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা কক্সবাজার

126105_1কক্সবাজার: হঠাৎ করেই বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল গোটা কক্সবাজার। বিমানবন্দরে পাওয়া মুক্তিযুদ্ধকালীন অবিস্ফোরিত এয়ার বোমার শব্দে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

সেনা বাহিনীর বোমা বিশেষজ্ঞ দল রবিবার বিকেল চারটা ৪০ মিনিটে সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটায়।

৫০০ পাউন্ড ওজনের এয়ার বোমাটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ফেলা হয়েছিল। গত ১৫ নভেম্বর উন্নয়ন কাজ চলাকালে বিমানবন্দরের পশ্চিম পাশের সীমানা দেয়াল ঘেঁষা ফদনার ডেইলের কাছাকাছি এলাকায় অবিস্ফোরিত বোমাটি পাওয়া যায়।

সেনাবাহিনীর কক্সবাজারস্থ রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের লেফট্যানেন্ট কর্নেল মহিউদ্দিন ও লেফট্যানেন্ট কর্নেল কিবরিয়ার নেতৃত্বে বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটনো হয়।

এই বোমাটি বিস্ফোরণে সহায়তার জন্য ঢাকা থেকে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল থেকে বোমা বিশেষজ্ঞ দল কক্সবাজার এসেছিলেন।

পরে লে. কর্নেল মহিউদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ১৯৫৪ সালে তৈরি প্রায় সাড়ে ৪ ফুট দীর্ঘ ও ১৬ ইঞ্চি বেসের এয়ার বোমাটি ১৯৭১ সালে কক্সবাজার বিমানবন্দরে ফেলা হয়েছিল। বোমাটির ওজন ৫০০ পাউন্ড।

লে. কর্নেল মোহাম্মদ কিবরিয়া জানান, অবিস্ফোরিত বোমাটির সামনের মুখটি কেটে সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে বিশাল বালির ঢিবি তৈরি করে তা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বালির ভেতরে থাকায় বিস্ফোরণের শব্দ অনেকাংশেই কম হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ধরনের বোমা কোনো বিমানবন্দরের রানওয়েতে ফেলা হলে রানওয়েটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। পুরোপুরি পুনঃনির্মাণ না করে ওই রানওয়ে আর চালু করার সুযোগ থাকে না। যদি কোনো স্থাপনায় এই বোমাটি ফেলা হয়, তাহলে ওই স্থাপনাটিও পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়।

তবে এটি অবিস্ফোরিত অবস্থায় উদ্ধার করে নিরাপদে ধ্বংস করায় ধ্বংসলীলা থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে বলেও মন্তব্য করেন সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা।

এদিকে, বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানোর শব্দে পুরো কক্সবাজার শহর কেঁপে উঠার পর দলে দলে মানুষ ঘটনাস্থলের দিকে ছুটতে থাকেন। কেউ কেউ কোথায় বিস্ফোরণ ঘটেছে তা নিয়েও বিভ্রান্তিতে পড়ে যান।

কক্সবাজার বিমানবন্দরের স্টেশন ম্যানেজার সাধন কুমার মোহন সাংবাদিকদের জানান, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তরে নির্মাণকাজ চলছে। এক্সাভেটর দিয়ে রাস্তা নির্মাণের জন্য মাটি খননের সময় শ্রমিকরা বোমা সদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান।

বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করার পর সেনাবাহিনীর একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে বোমাটি শনাক্ত করেন বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ